মোঃ জোনায়েদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ কিশোরগঞ্জ
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) আসনে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস সাহেবকে ঘিরে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে এক নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শনিবার বিকেল ৫টায় জয়কা ৫নং ইউনিয়নের কান্দাইল স্কুল মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী আলোচনা সভায় জনস্রোত নেমে আসে। মাঠজুড়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ৷আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ হুমায়ুন কবীর,সাংগঠনিক সম্পাদক করিমগঞ্জ উপজেলা বিএনপি,সভাপতি জয়কা ইউনিয়ন বিএনপি, চেয়ারম্যান জয়কা ইউনিয়ন পরিষদ,
সুরাফ উদ্দিন সিনিয়র সহসভাপতি জয়কা ইউনিয়ন বিএনপি
আলোচনায় অংশ নেন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ। তাদের মধ্যে ছিলেন—
সভাপতি: মোঃ পোলাপ
সাধারণ সম্পাদক: ডাঃ মাহবুব আলাক
কোষাধ্যক্ষ: মঞ্জুফা
ক্রিয়া সম্পাদক: হাজী হান্নান সন্বাক আদ্দিন
সদস্যবৃন্দ: সাজিদুল ইসলাম, পিসাস উদ্দিন, বাসির আহম্মদ, ডাঃ সেলোনহার, ডাঃ মোনহার হোসেন সেকেন, আউয়াল, সুজন, আনিস, আবির, রাকিব পারভেজ ও জিল্লু মিয়া৷
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ৯নং ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম। রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি ২০১৮ সালে এক বছর কারাভোগ করেন এবং ২০১৯ সালে মুক্তি পান।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, “অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস কেবল একজন সম্ভাব্য প্রার্থী নন, বরং তিনি জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিচ্ছবি। তাঁর নির্ভীক নেতৃত্ব, সৎ চরিত্র এবং ত্যাগী মনোভাব করিমগঞ্জ-তাড়াইলের সাধারণ মানুষের কাছে তাঁকে ইতোমধ্যেই আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।”
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস। তিনি বলেন—
“রাজনীতি আমার কাছে কখনো ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, বরং মানুষের সেবা করার একটি মহৎ সুযোগ। করিমগঞ্জ-তাড়াইলের মানুষ আমার শক্তির উৎস। আপনাদের ভালোবাসা ও আস্থা নিয়েই আমি মাঠে নেমেছি। আমি বিশ্বাস করি, যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকি তবে আগামী দিনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবেই। আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা থাকলে আমি জীবনভর জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাব।”
তিনি আরও যোগ করেন—
“আমার রাজনীতির একমাত্র লক্ষ্য হলো এলাকার মানুষের উন্নয়ন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, জনগণের ভোটে জয়ী হলে করিমগঞ্জ-তাড়াইল হবে একটি মডেল এলাকা।”
গাউস সাহেবের বক্তব্যে উচ্ছ্বসিত জনতা করতালিতে মাঠ প্রকম্পিত করে তোলে। সর্বস্তরের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও একবাক্যে বলেন—
“আমরা আগামী নির্বাচনে গাউস সাহেবকে জয়ী করতে সবকিছু ত্যাগ স্বীকার করব। তিনি আমাদের স্বপ্নের নেতা।
মাঠজুড়ে জনতার উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে দিয়েছে—করিমগঞ্জ-তাড়াইলের মানুষ পরিবর্তন চায়, গণতান্ত্রিক শক্তির পুনরুত্থান চায়। আর সেই পরিবর্তনের অগ্রযাত্রার কেন্দ্রবিন্দুতে আছেন অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস।
