হাদি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রের বিক্রেতা গ্রেপ্তার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রের বিক্রেতা মো. মাজেদুল হক হেলালকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে সিআইডি।


বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা।


রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন গণমাধ্যমকে জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে সিআইডি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার রহস্য উদঘাটিত হবে।

গ্রেপ্তার আসামি হেলাল চট্টগ্রামের হামিদুল হম আর্মস এন্ড কোং দোকানের মালিক। আজ বুধবার এই রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল কাদির ভূঞা।


রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, হাদি হত্যায় ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) উদ্ধার করা হয়েছে নরসিংদী এলাকা থেকে। এই ঘটনায় অস্ত্র আইনে মামলা হয় নরসিংদী থানায়। উদ্ধার অস্ত্রটি এবং এ মামলার ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া কার্তুজ ও গুলির ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যায়, এই পিস্তল থেকেই ছোড়া হয়েছে ঘটনাস্থলে পাওয়া বুলেট।


এতে আরো বলা হয়, মাইক্রো এনালাইসিস পরীক্ষায় বের করা গেছে পিস্তলের সিরিয়াল নম্বর। তদন্তে জানা যায়, পিস্তলটি আমদানি করেন ঢাকার এম আইচ আর্মস কোং। ২০১৭ সালের ৩ ডিসেম্বর অস্ত্রটি কিনে নেয় চকবাজারের ইসলাম উদ্দিন আহমেদ এন্ড সন্স। তিনি ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামের হামিদুল হক আর্মস এন্ড কোংয়ের কাছে বিক্রি করে দেন অস্ত্রটি। এই দোকানের মালিক আসামি মাজেদুল হক হেলাল।


এই দোকানের লাইসেন্স ছিল মাজেদুল হকের বাবা হামিদুল হকের নামে। ২০০০ সালে লাইসেন্সটি তার নামে করে নেন। লাইসেন্সটি ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবায়ন থাকলেও পরে আর নবায়ন করেননি। লাইসেন্স নবায়ন না করেই ইসলাম উদ্দিন আহমেদ এন্ড সন্স দোকান থেকে এই অস্ত্রটি কিনে নেন মাজেদুল হক।


রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অস্ত্রটি মো. মাজেদুল হক হেলালের কাছ থেকে কীভাবে আসামিদের হাতে গেছে, তা জানতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।

কোন মন্তব্য নেই: