# দৈনিক ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমেছে
# ১০০টি নতুন গ্যাস কূপ খননের পরিকল্পনা
# রাজধানীর প্রায় সব সিএনজি স্টেশনে ভোগান্তি
# বাসাবাড়িতেও কমেছে গ্যাসের চাপ
# শিল্পকারখানায় উৎপাদনে ধাক্কা
# কারিগরি ত্রুটি সারাতে মাঠে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা
রাজধানীজুড়ে আবারও তীব্র গ্যাস সংকট। কোথাও চুলায় আগুন জ্বলছে না, কোথাও গ্যাসের অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছে সিএনজিচালিত যানবাহনের সারি।
মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটিতে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় একসঙ্গে বিপর্যস্ত হয়েছে নগরজীবনের দুই চাকা, সংসারের রান্নাঘর ও সড়কের পরিবহন। বাসাবাড়িতে রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে, আর সিএনজি পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষায় কমছে চালকদের আয়।
সরকারের আশ্বাস, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর না হলে এমন সংকট বারবারই ফিরে আসবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পযর্ন্ত রাজধানীর মিরপুর, শাহবাগ, তেজগাঁও, মহাখালী, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন সিএনজি স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি স্টেশনের সামনেই দীর্ঘ যানজট। গ্যাসের জন্য অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি সড়কের অনেকটা অংশ দখল করে রেখেছে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় প্রতিটি গাড়িতে গ্যাস ভরতে স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি সময় লাগছে। ফলে একটি গাড়ি স্টেশন ছাড়ার আগেই লাইনে আরও কয়েকটি গাড়ি যুক্ত হচ্ছে।
মিরপুর-১০ এলাকার একটি সিএনজি স্টেশনে কথা হয় অটোরিকশাচালক কামাল উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রাত সাড়ে তিনটার দিকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। এখন সকাল আটটা বাজে। এখনো গ্যাস পাইনি। প্রতিদিন এই সময়ের মধ্যে অন্তত চার-পাঁচটি ট্রিপ দেওয়া হয়ে যায়। আজ সেই সময়টা লাইনে দাঁড়িয়ে নষ্ট হচ্ছে।’
একই স্টেশনে থাকা চালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে অর্ধেক দিন চলে যাচ্ছে। এরপর রাস্তায় বের হলেও আগের মতো যাত্রী পাওয়া যায় না। আয় অর্ধেকেরও নিচে নেমে গেছে।’
শাহবাগের একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দেখা যায়, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকদের মধ্যে অনেকেই গাড়ির ভেতরেই বিশ্রাম নিচ্ছেন। কেউ চা খেয়ে সময় কাটাচ্ছেন, কেউ আবার লাইনের অগ্রগতি দেখছেন।
সেখানে অপেক্ষমাণ চালক রুবেল মিয়া বলেন, ‘প্রতিবার গ্যাস সংকট হলেই আমাদের কষ্ট বাড়ে। যাত্রীদের কাছে জবাব দিতে হয়, আবার পরিবারের খরচও কমানো যায় না। দিনে যদি ৩ হাজার টাকা আয় করি, এখন তা নেমে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।’
মিরপুর এলাকার ঢাকা সিএনজি স্টেশনের ব্যবস্থাপক আবুল কালাম জানান, ‘আমরা ইচ্ছা করলেও দ্রুত গাড়িতে গ্যাস দিতে পারছি না। জাতীয় গ্রিড থেকে যে চাপ আসছে, তা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। আগে যেখানে এক ঘণ্টায় নির্দিষ্ট সংখ্যক গাড়িকে সেবা দেওয়া যেত, এখন তার অর্ধেকও সম্ভব হচ্ছে না।’
আগারগাঁও এলাকার আরেকটি স্টেশনের তত্ত্বাবধায়ক মো. সোহেল রানা বলেন, ‘চালকদের ক্ষোভ আমাদের ওপর এসে পড়ে। কিন্তু বাস্তবে আমাদের কিছু করার নেই। সরবরাহ কম থাকলে আমরা তো বাড়তি গ্যাস তৈরি করতে পারি না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগান্তি চলবে।’
বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ফারহান নূর ঢাকা মেইলকে বলেন, ঠিক কবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে তাদের কাছেও নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ে আগামী পরশু বেলা সাড়ে ১২টায় সংগঠনের কার্যালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বর্তমান পরিস্থিতি এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে।
গ্যাসের চাপ কত শতাংশ কমেছে- এমন প্রশ্নের জবাবে ফারহান নূর বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। কারণ, কোথাও অল্প সময়ের জন্য গ্যাসের চাপ আসছে, তখন আধা ঘণ্টার মতো স্টেশন চালানো যাচ্ছে। আবার তিন থেকে চার ঘণ্টা কোনো গ্যাসই থাকছে না। এভাবে অনিয়মিত সরবরাহের কারণে প্রকৃত ঘাটতির হিসাব করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করছেন গ্রাহকরা। সবাই চরম উদ্বেগ ও চাপের মধ্যে আছেন। এ অবস্থায় প্রতিনিয়ত তথ্য সংগ্রহ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই নির্ভুল তথ্য উপস্থাপনের জন্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ার কারণে প্রায় সব স্টেশনই নির্ধারিত সক্ষমতার অনেক নিচে পরিচালিত হচ্ছে। এতে স্টেশনের বিক্রিও কমেছে, একই সঙ্গে গ্রাহকদের অসন্তোষও বাড়ছে।
গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থাতেও। অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা সময়মতো রাস্তায় নামতে না পারায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে যানবাহনের সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠছে। অফিসগামী যাত্রীদের অনেকেই বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়ে বিকল্প যানবাহনে যাতায়াত করছেন।
শুধু পরিবহন খাত নয়, একই সংকটের প্রভাব পড়েছে আবাসিক গ্রাহকদের জীবনেও। রাজধানীর মিরপুর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী ও বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনের দীর্ঘ সময় গ্যাসের চাপ খুবই কম থাকছে। অনেক পরিবার সকালে নাশতা কিংবা দুপুরের খাবার সময়মতো রান্না করতে পারছে না। কেউ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন, কেউ এলপিজি সিলিন্ডারের দিকে ঝুঁকছে। ফলে বাড়তি ব্যয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।মিরপুরের বাসিন্দা নাসিমা আক্তার বলেন, ‘সকালে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর আগে নাশতা তৈরি করতে পারিনি। গ্যাসের চাপ এত কম ছিল যে পানি ফুটতেও অনেক সময় লেগেছে।’
শিল্পকারখানাতেও এর প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। গ্যাসনির্ভর বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় উদ্যোক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক না হলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এতে রফতানি আদেশ বাস্তবায়নেও জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটে (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে।
এর ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। যার প্রভাব পড়েছে আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প ও পরিবহন খাতের প্রায় সব ধরনের গ্রাহকের ওপর।
এদিকে গ্যাস সংকটের কারণ ও করণীয় নিয়ে সরকার বলছে, এটি সাময়িক সমস্যা হলেও দ্রুত সমাধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং আবাসিক গ্রাহকদের ওপর পড়েছে। কোনো কোনো এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সিএনজি স্টেশনগুলো প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে কয়েকটি এলাকায় দীর্ঘ লাইন ও সাময়িক জনভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কারিগরি সমস্যা দ্রুত সমাধানে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন। একইসঙ্গে সীমিত সরবরাহের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে গ্যাস সরবরাহ সচল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, টার্মিনালের সমস্যা সমাধান হলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব (অপারেশন অনুবিভাগ) মনির হোসেন চৌধুরী জানান, টার্মিনালের যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের কাজ চলছে এবং কিছুদিনের মধ্যে সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মাতারবাড়িতে বিদেশ থেকে গ্যাস এনে পাইপলাইনে নেওয়ার জায়গায় আগুন লেগেছিল। সেটি ঠিক করতে সময় লাগায় দেশের মানুষের গ্যাসের চরম সমস্যা হয়েছে। মানুষ মনে করে সব দোষ সরকারের। রাতে সুস্থ মানুষ ঘুমানোর পর সকালে যেমন হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে, মেশিনের অবস্থাও তেমন হতে পারে। তবুও জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায় আমাদেরই।’
তবে গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস বলছে, শুধু টার্মিনাল মেরামত হলেই সংকট পুরোপুরি কেটে যাবে না। তিতাস গ্যাসের অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ সাইদুল হাসান বলেন, বর্তমানে তিতাস প্রায় এক হাজার ২০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাচ্ছে, অথচ তাদের গ্রাহকদের চাহিদা প্রায় এক হাজার ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ টার্মিনালের কারিগরি সমস্যার আগেও সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বড় ব্যবধান ছিল।
তিনি বলেন, আগে প্রায় এক হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া গেলেও তার মধ্যে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সার কারখানায় চলে যায়। ফলে অন্যান্য খাতের জন্য প্রায় এক হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস অবশিষ্ট থাকে, যেখানে প্রয়োজন কমপক্ষে এক হাজার ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তাই এফএসআরইউ সচল হওয়ার পরও ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি থেকেই যেতে পারে।
4
এদিকে পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটি দ্রুত মেরামত করে পুনরায় চালু করতে দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত টেকনিক্যাল টিম নিরলসভাবে কাজ করছে। যত দ্রুত সম্ভব টার্মিনালটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করা যাবে।
আজ (শনিবার) পেট্রোবাংলার জনসংযোগ কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম খানের পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউতে দেখা দেওয়া কারিগরি ত্রুটি নিরসনে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। মেরামত কার্যক্রম শেষ হলে টার্মিনালটি পুনরায় চালু করা হবে।
পেট্রোবাংলা জানায়, এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে সাময়িক এই সমস্যার কারণে গ্যাস সরবরাহে যে অসুবিধা সৃষ্টি হয়েছে, সে জন্য সম্মানিত গ্যাস গ্রাহকদের কাছে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, প্রায় প্রতি বছরই কোনো না কোনো কারণে এলএনজি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ ব্যাহত হয়। সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়া, ঘূর্ণিঝড় কিংবা কারিগরি ত্রুটির কারণে ভাসমান টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেলে পুরো গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থাই চাপে পড়ে।
তিনি বলেন, দেশের জন্য অন্তত ১৫ দিনের এলএনজি মজুত রাখার সক্ষমতা তৈরি করা জরুরি। পাশাপাশি একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের বিকল্প নেই। কারণ সমুদ্রের ওপর নির্ভরশীল অবকাঠামো সব সময় ঝুঁকিমুক্ত নয়। একইসঙ্গে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রে অনুসন্ধান ও উৎপাদনে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতেও একই ধরনের সংকট বারবার ফিরে আসবে।
