পানি বাড়ছে রাজবাড়ীর নদ-নদীতে, ভাঙনের হুমকিতে তীরবর্তী এলাকা


 টানা বৃষ্টির ফলে রাজবাড়ীর সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পানি বাড়লেও বিপৎসীমার নিচেই রয়েছে নদীগুলো। পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ৯৭ কিলোমিটার নদী তীরবর্তী অঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।


 


পদ্মার পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর, চর সেলিমপুর, কালীতলা, মেছোঘাটা এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এছাড়া দৌলতদিয়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া এলাকার কাউলজানি এবং দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে দৌলতদিয়ার সবকটি ফেরিঘাট।


 


রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (৪ আগস্ট) সকাল ৬টার পরিমাপকৃত তথ্য অনুযায়ী পদ্মা নদীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া পয়েন্টে পানি ৬ দশমিক ৮৬ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে পানির বিদৎসীমা ৮ দশমিক ২০ মিটার।


পদ্মা ও হড়াই নদীর মহেন্দ্রপুর পয়েন্টে পানি ৭ দশমিক ৭৯ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্ট পানি বিদৎসীমা ১০ দশমিক ৫০ মিটার।


 


পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পদ্মা নদীর পানি ৮ দশমিক ৫০ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্ট পানির বিপৎসীমা ১০ দশমিক ৫২ মিটার। গড়াই নদীর কামারখালী ব্রিজ পয়েন্টে পানি ৬ দশমিক ৫৮ মিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৭ দশমিক ৭৫ মিটার।


 


আরও জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ সেন্টিমিটার, মহেন্দ্রপুর পয়েন্ট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ সেন্টিমিটার, পাংশার সেনগ্রাম পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ সেন্টিমিটার এবং কামারখালীর গড়াই নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১১ সেন্টিমিটার।


 


রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এম এ শামীম বলেন, টানাবর্ষণে রাজবাড়ীর বিভিন্ন নদ-নদীর পানি দুই দিন ধরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঝে কয়েকদিন পানি কমে গিয়েছিল। পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনো কোথাও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। নিম্নাঞ্চল বা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার কোন খবর পাওয়া যায়নি।


 


তিনি আরও বলেন, পানি বৃদ্ধিতে কয়েকটি স্পটে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেখানে ভাঙন প্রতিরোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Please Select Embedded Mode To Show The Comment System.*

নবীনতর পূর্বতন