খুলনায় সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কেএমপির বিশেষ অভিযান


 

বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান, খুলনা

এস এম শাহরিয়ার

খুলনায় সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কেএমপির বিশেষ অভিযান

খুলনা নগরীতে সন্ত্রাস, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজি দমনে ব্যাপক বিশেষ অভিযান শুরু করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে গত ২ জুন থেকে কেএমপির পাশাপাশি অন্যান্য বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিটও মাঠে কাজ শুরু করেছে।


পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের প্রথম দুই দিনে হত্যা, ডাকাতি ও মাদকসংক্রান্ত মামলায় ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে রাশেদ হত্যা মামলার তিন আসামিকে লবণচরা থানা পুলিশ আটক করেছে। একই সময়ে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) গ্রেনেড বাবুর এক সহযোগীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।


কেএমপির প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী, নগরীর আটটি থানায় ১৮১ জন সন্ত্রাসী, ৫৮৪ জন মাদক কারবারি এবং ৬৯ জন চাঁদাবাজকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ধারাবাহিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগে বিভিন্ন অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে খুন, হামলা, গোলাগুলি ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনা বেড়ে যায়। একই সঙ্গে মাদক বেচাকেনা ও চাঁদাবাজির অভিযোগও বৃদ্ধি পায়।


পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ পাঁচ মাসে নগরীতে ১১টি হত্যাকাণ্ড ঘটে। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭-এ। চলতি বছরের ৩ জুন পর্যন্ত আরও ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা রেকর্ড হয়েছে। এছাড়া গুলি ও ধারালো অস্ত্রের হামলায় আহত হওয়ার শতাধিক ঘটনা ঘটেছে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন