পুলিশ সূত্রে খবর, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন সুমন্ত। উত্তর বেঙ্গালুরুর নন্দিনী লেআউটে একটি বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রী পদ্মাবতী হোয়াইটফিল্ডে একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি করতেন। তিনি ধারওয়াড় জেলার বাসিন্দা। সুমন্ত এবং পদ্মাবতীর বিয়ে হয়েছিল চার বছর আগে। তাঁদের কোনও সন্তান ছিল না। কর্মসূত্রে চার মাস আগে রাজেশ্বরীনগরে একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন তাঁরা।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত্যুর আগে সুমন্ত তাঁর মাকে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠান। মাকে বলেন, ‘‘আমার পিএফের টাকা এবং যা যা জিনিস আছে সব নিয়ে যেয়ো। তোমাদের ছেড়ে আমি চললাম।’’ পরিবার সূত্রে খবর, সুমন্তের এই ভয়েস মেসেজ পাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু ফোন বন্ধ ছিল। পরে বাড়িওয়ালাকে ফোন করে খোঁজ নিতে বলা হয়। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ঢুকতেই দেখে, বিছানায় পড়ে রয়েছে পদ্মাবতীর নিথর দেহ, আর সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছেন সুমন্ত। দু’জনের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।
সূত্রঃ আনন্দবাজার
