ঠাকুরগাঁওয়ে সূর্যপুরী আম জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি


ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 

জুয়েল ইসলাম শান্ত

ঠাকুরগাঁওয়ে সূর্যপুরী আম জিআই পণ্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি

সূর্যপুরী আম জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী, সুস্বাদু ও জনপ্রিয় জাতের আম। এই আমটি সুমিষ্ট স্বাদ এবং পাতলা আঁটির জন্য বিশেষভাবে জনপ্রিয়। আর এ আমটিকে জিআই পন্য হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করার দাবিতে রোববার রাতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়। 


ওই দিন রাতে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হকের হাতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ কর্মী এ্যাড. মো: জাহিদ ইকবাল, সমাজকর্মী মো: মামুন উর রশিদ, এ্যাড. জিতেন চন্দ্র পাল ও এ্যাড. আশিকুর রহমান রিজভী। 


স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, অন্যান্য উপজেলার পাশাপাশি তুলনা মূলক ভাবে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সূর্যপুরী জাতের আমের প্রচুর ফলন হয়। এই জাতের আমটি জেলার কৃষি ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির একটি গুরুত্বপুর্ন অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। এই আম এর উৎপাদন এবং স্বাদকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়েস্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে জিআই সনদ অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন। জিআই সনদ প্রাপ্ত হলে এই অঞ্চলের আম চাষীযরা ন্যায্য মূল পাবেন। সূর্যপুরী আমের স্বকীয়তা সংরক্ষিত হবে এবং জেলার সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে। 


এশিয়ার বৃহত্তম আম গাছ ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলারৎ হরিণমারী সীমান্তে মন্ডুমালা গ্রামে অবস্থিত। দুই বিঘার বেশি এলাকা জুড়ে এই সূর্যপুরী আম গাছ প্রায় ২০০ বছরের পুরতান, যা সবার নজর কাড়ে। প্রতিদিন দেশ বিদেশ থেকে ভ্রমণ প্রিয় পর্যটকগণ ওই সূর্যপুরী আম গাছের সৗন্দর্য্য ও বিশালত্ব দেখতে আসেন। 


জিআই বা ভৌগলিক নির্দেশক হলো এমন একটি অঞ্চলের ভৌগলিক উৎপত্তি, বিশেষ গুণমান ও ঐতিহ্যের কারণে দেওয়া হয়। এক কথায় কোন অঞ্চলে মাটি, মানুষ ও আবহাওয়ার কারুকার্যের ফলে যখন একটি য জোর দাবি জানানো হয়ে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন