তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে তামাক বিক্রি বন্ধে আলোচনা



বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান,খুলনা

এস এম শাহরিয়ার

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান আইন কার্যকর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনায় বিভাগীয় পর্যায়ের এক তামাকবিরোধী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এ সেমিনারে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, শিক্ষক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। এর উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান বন্ধে আইন প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, খেলার মাঠ ও শিশু পার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি বন্ধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছে তামাক বিক্রি বন্ধেও সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মো. আখতারউজ-জামান। সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম।

আলোচনায় অংশ নেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ারসহ অন্যরা।

সেমিনারে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০২৫ এবং সংশোধনী ২০২৬ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বক্তারা জানান, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত এলাকায় তামাক বিক্রি বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। একই অপরাধ বারবার করলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হতে পারে।

বিভাগীয় প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, কলেজ অধ্যক্ষ এবং সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

কোন মন্তব্য নেই: