ভোলা জেলায় জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে


 ভোলা জেলায় জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কার্যালয়ে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে অফিসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর চালায়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন সৎ ও সাহসী কর্মকর্তা বিভিন্ন গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে জানান, প্রাথমিকভাবে এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপির একটি উশৃঙ্খল গ্রুপ এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে অভিযোগ উঠেছে, তবে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এদিকে হামলার খবর ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। ঢাকা প্রেসক্লাবের সভাপতি আওঙ্গজেব কামাল এক বিবৃতিতে এ ঘটনাকে “গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত” বলে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, ডিজিটাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ও ভোলা জেলা শ্রমিক পার্টির সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,

“রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তার সমাধান কখনোই হামলা, ভাঙচুর বা সন্ত্রাসের মাধ্যমে হতে পারে না।”

বিভিন্ন মিডিয়ার সম্পাদক ও প্রকাশ্য গণ বলছেন, হিংসার রাজনীতি সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। অতীতেও দেখা গেছে—রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক অফিসে হামলা, মিছিল সংঘর্ষ কিংবা অগ্নিসংযোগের ফলে নিরীহ নাগরিকদের প্রাণহানি ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।


স্বচ্ছ রাজনৈতিক নেতাদের মতে, প্রতিহিংসার রাজনীতি তরুণ সমাজকে ভুল পথে ঠেলে দেয় এবং আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়। তাই সকল রাজনৈতিক দলের উচিত সহনশীলতা, সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে মত প্রকাশ করা।

ঘটনাস্থলে বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

কোন মন্তব্য নেই: