স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় ডা. জাহিদ হোসেন


 হাকিমপুর উপজেলার বিশেষ প্রতিনিধি 

মোঃ রেজোয়ান প্রধান রিমন

একজন ব্লগারের জন্য উপযুক্ত করে নিচে একটি আকর্ষণীয় এবং গোছানো ব্লগ পোস্ট তৈরি করে দেওয়া হলো। এটি আপনি আপনার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল বা নিউজ ব্লগে সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন।

নতুন মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন: দিনাজপুরে আনন্দের জোয়ার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কে পাচ্ছেন কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব? রাষ্ট্র সংস্কার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি যখন নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ে। দলীয় সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বরেণ্য চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন হতে যাচ্ছেন দেশের পরবর্তী স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

কেন তিনি আলোচনার শীর্ষে?

বিএনপির গুলশান কার্যালয় ও নীতিনির্ধারণী মহলের তথ্য অনুযায়ী, দলটির ঘোষিত '৩১ দফা' কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যখাতের আমূল পরিবর্তন। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে একজন অভিজ্ঞ এবং পেশাদার চিকিৎসককেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ডা. জাহিদ হোসেনের মনোনয়ন পাওয়ার পেছনে মূল কারণগুলো:

 * বিশাল জয়: দিনাজপুর-৬ আসনে ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন, যা তার আকাশচুম্বী জনভিত্তির প্রমাণ।

 * পেশাগত অভিজ্ঞতা: ১৯৮৩ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর থেকে তিনি চিকিৎসা পেশা ও নেতৃত্বের সাথে জড়িত।

 * সাংগঠনিক দক্ষতা: ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর দীর্ঘকালীন মহাসচিব এবং বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে তিনি পেশাজীবীদের মাঝে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

 * রাজনৈতিক ত্যাগ: গত ১৮ বছরে অর্ধশতাধিক মামলা এবং তিনবার কারাবরণ করেও দলের নীতি ও আদর্শে অটল থাকা তাকে নেতৃত্বের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।

এক নজরে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের রাজনৈতিক পথচলা

| সাল | অর্জন/পদবী |

|---|---|

| ১৯৮৩ | ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন। |

| ১৯৯৮-২০১৯ | ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৪ বারের মহাসচিব। |

| ২০১০ | বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। |

| ২০১৬ | বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত। |

| ২০২২ | বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক। |

| ২০২৪ | বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম 'জাতীয় স্থায়ী কমিটির' সদস্য। |

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও প্রত্যাশা

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামের এই কৃতী সন্তানকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা এখন আকাশচুম্বী। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলে চিকিৎসা ব্যবস্থার বিকেন্দ্রীকরণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

দীর্ঘদিনের রাজপথের আন্দোলন এবং পেশাগত মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে ডা. জাহিদ হোসেন কি পারবেন বাংলাদেশের ভঙ্গুর স্বাস্থ্যখাতকে পুনর্গঠন করতে? এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা।

> "স্বাস্থ্যখাতে কাঠামোগত সংস্কার এবং আধুনিকায়নের জন্য একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজন ছিল, ডা. জাহিদ হোসেন সেই শূন্যস্থান পূরণে যোগ্যতম ব্যক্তি।" — স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

আপনার মতামত কী? ডা. জাহিদ হোসেন কি পারবেন স্বাস্থ্যখাতে নতুন গতি সঞ্চার করতে? কমেন্টে জানান আপনার ভাবনা।

কোন মন্তব্য নেই: