তেলের সংকটে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, জ্বালানি তেল পেতে হাহাকার


 

উপজেলা প্রতিনিধিঃরংপুর সদর

মোঃহাসান আলী 


বৈশ্বিক যুদ্ধের নেতিবাচক  প্রভাবে জ্বালানি তেলের সংকট  পরেছে দেশের সকল জেলা উপজেলায়। রংপুরের  গঙ্গাচড়া উপজেলার মেসার্স  সিহাব  ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় সকাল থেকে দীর্ঘ লাইনের মিছিল, ২০০ টাকার জ্বালানি মিলবে টানা ২ থেকে ৩ ঘন্টা অপেক্ষার পর। 


শাফিউল ইসলাম নামে একজন  মোটরসাইকেল চালকের সাথে কথা বলে জানা যায় - সকাল সাড়ে সাতটায় তেল দেওয়া শুরু করলেও তিনি এসেছেন ভোর ৬ টায় ফিলিং স্টেশনের লাইনে দাঁড়াতে। কারণ  সকলের চাহিদা শেষ না হতেই জ্বালানি না পেয়ে খালি গাড়ি নিয়ে ফিরে যেতে হয় অনেককে।


একজন মাহেন্দ্র চালক জানায়- তেলের সংকটে তাদের দৈনিক ইনকাম কমেছে। এবং হিমসিম খেতে হচ্ছে পরিবারের প্রতিদিনের ঘরচ মিটাতে।

সকালে জ্বালানি দেওয়া শুরু করলেও শেষ হতে সময় নেয় না বেশিক্ষণ, দুপুর হতেই ফিলিং স্টেশন ফাঁকা। 

  

ম্যানেজার সাজেদুল সাহেবের সাথে কথা বলে জানা যায় , - প্রতিদিন গড়ে ২৫০০ লিটার করে সপ্তাহে ১৮০০০ লিটার জ্বালানি তেল প্রয়োজন তাদের ফিলিং স্টেশনে, কিন্তু প্রয়োজন অনুপাতে মিলছে না জ্বালানি তেল। এখন সপ্তাহে ২ দিন জ্বালানি বরাদ্দ পাচ্ছে তারা  তাই প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে মোটা আংকের ঘাটতি। 

 

সাধারণ মানুষজন জানায় তেলের সংকট অলরেডি জনজীবনে দুর্ভোগ তৈরি করেছে। দুপুরের পরে অনেক মোটরসাইকেল চালককে পরিবার ও বাচ্চা সহ হেঁটে যেতে দেখা যায়  ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল না পেয়ে।


বিশ্লেষকরা বলছেন এমন অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পরবে। বিশ্ব বাজারে ডলার ও জ্বালানির দাম বাড়লেও দেশে এখনো পূর্বের দাম রয়েছে। জ্বালানি সংকট নিরসনে নীতিনির্ধারকদের এখনি সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

কোন মন্তব্য নেই: