নির্দোষ হয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছি,তদন্তের দাবি জানালেন যুবদল নেতা।
জেলা প্রতিনিধিঃভোলা
মীর শাহীন
সোশাল মিডিয়ায় নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দক্ষিণ আইচা থানা যুবদলের সভাপতি মোঃ ইকবাল হাওলাদার।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় দক্ষিণ আইচা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, গত ৬ এপ্রিল আবুল হোসেন তার বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় যে অভিযোগ তুলেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও পরিকল্পিত। এর মাধ্যমে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ইকবাল হাওলাদার আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গেছে যে খন্দকার রেজাউল করিমকে দক্ষিণ আইচা বাসস্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে আবুল হোসেন একাই আঘাত করেছেন। অথচ ওই ঘটনার সঙ্গে তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
তিনি বলেন, জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে গত বছরের ১৭ আগস্ট আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম খন্দকার রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিলেন। একই দিনে রেজাউল করিমের ওপর হামলা করেন আবুল হোসেন। তার স্ত্রীর ওপর হামলার ঘটনার জের ধরে পরবর্তী ঘটনাটি প্রতিশোধমূলক হতে পারে।
ইকবাল হাওলাদার বলেন, যিনি সরাসরি হামলা করেছেন তাকে ৩ নম্বর আসামি করা হলেও, ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা ব্যক্তিদের প্রধান আসামি করা হয়েছে, যা একটি সাজানো মামলা। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ইতোমধ্যে আমি আদালত থেকে জামিন নিয়েছি এবং নিরপেক্ষ তদন্তে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারী নিজেকে আড়াল করতে আমার ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। আমি প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে নির্দোষ ব্যক্তিদের হয়রানি বন্ধ করা হোক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ আইচা থানা যুবদলের সহ-সভাপতি মফিজ মিয়া, চরমানিকা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পদক সোহাগ হাওলাদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্বাস পাটোয়ারীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আবুল হোসেনকে ফোন করা হলে তার ছেলে পরিচয় দিয়ে ফোন রিসিভ করে বলেন তার বাবা বাসায় নেই। পরে ফোন কেটে দেন।

কোন মন্তব্য নেই: